রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় তিস্তা নদীর সংরক্ষিত ডান তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তিস্তা নদীর সংরক্ষিত এই বাঁধের প্রায় ২০ মিটার ব্লক ধসে নদীতে চলে গেছে। এতে করে হুমকির মুখে রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, মসজিদ, সড়কসহ বসতবাড়ি।
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় তিস্তা নদীর সংরক্ষিত ডান তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তিস্তা নদীর সংরক্ষিত এই বাঁধের প্রায় ২০ মিটার ব্লক ধসে নদীতে চলে গেছে। এতে করে হুমকির মুখে রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, মসজিদ, সড়কসহ বসতবাড়ি।
তিস্তা নদীর পানি সামান্য কিছু সময়ের জন্য বিপৎসীমা অতিক্রম করেছিল মঙ্গলবার বেলা তিনটায়। সন্ধ্যা ৬টায় পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হয়েছে। তবে পানির তোড়ে নদী তীরবর্তী এলাকায় প্লাবিত হয়েছে। সেই সাথে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
তিস্তা নদীর ভাঙনে বসতভিটা ও আবাদি জমি হারানো ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের পলাশপুর গ্রা
লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার তিস্তা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করায় ঘরবাড়ি ও ফসলহানির আশঙ্কায় দিনযাপন করছেন বাসিন্দারা।
কুড়িগ্রামে সবক'টি নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিয়েছে ভাঙন। বিশেষ করে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তিস্তা নদীর ভাঙনে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা ও গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ভাঙন মারাত্মক রূপ নিয়েছে। গত এক সপ্তাহে তিস্তা নদীর তীরবর্তী বহু মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে।
কুড়িগ্রামে কয়েক দিন ধরে বৃষ্টির ফলে তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। এ সময় ছয়টি বাড়ি ভেঙেছে। হুমকিতে রয়েছে আরো ৭০-৮০টি বাড়ি। অসময়ে তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মানুষ।